রাঙ্গামাটিতে উৎসবমূখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

আজ নতুন বাংলা বছরের পহেলা দিন, একটি নতুন বছরের শুভ সূচনা। শুভ নববর্ষ। স্বাগত ১৪২৫।বাংলার ঘরে ঘরে নতুন বছরকে আবাহন জানাবে সব বয়সের মানুষ। বাঙালির জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন এই পহেলা বৈশাখ।পহেলা বৈশাখকে বাংলার ধরাতলে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/ অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরাৃ।’ প্রত্যাশা করা হচ্ছে রবির চিরন্তন কিরণে হাসি ছড়িয়ে পুরনো বছরের সব গ্লানি, অপ্রাপ্তি, বেদনা ভুলে আজ নব আনন্দে জাগবে গোটা জাতি।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সারাবাংলার সাথে তাল মিলেয়ে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায়ও যেন আয়োজনের ছিলোনা কোনো কমতি। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নতুন বছরের প্রথম দিনের শুরুতে সকালে জেলায় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের পৌর চত্ত্বর থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রার বর্ণাঢ্য র‌্যালী শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সম্মুখে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্ব¦লন করে আলোচনা সভাসহ বর্ষবরণের উৎসবের সূচনা করা হয়।

এসময় সবাই একত্রিত হয়ে বিশাল জনসমুদ্রের মিলন মেলায় রুপান্তরিত হয়। শোভাযাত্রা শেষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত পান্তা ইলিশ খাওয়ানো হয় আগত শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ কারিদের। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক এ.কে.এম মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার।

জেলা প্রশাসক একে এম মামুনুর রশিদ শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন অতীতের সব জীর্ণতা,দুঃখ-গ্লানি ভুলে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে সবাইকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তিনি। এসময় জেলার উর্ধতন কর্মকর্তা, গন ছাড়াও গন্য মান্য ব্যক্তিবর্গ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Print Friendly, PDF & Email