ফেনী লালপোলস্থ এলাকায় শ্যামলী পরিবহনে তল্লাশী করে ৮০ লক্ষ টাকার ইয়াবা জব্দ,আটক-৩ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে

বিশেষ সংবাদ দাতা:২২এপ্রিল

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের ০১টি বাসের মাধ্যমে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী বিপুল পরিমান ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে ২২ এপ্রিল ৪:১০ টিকার সময় স্কোয়াড্রন লিডার শাফায়াত জামিল ফাহিম, পিপিএম এর নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল ফেনী জেলার সদর থানাধীন লালপোলস্থ শপিং সেন্টার রেস্টুরেন্ট এর সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশী করতে থাকে।

এসময় ঢাকাগামী হলুদ ও লাল রংগের শ্যামলী পরিবহন বাস যাহার রেজি নং ঢাকা মেট্রো-ব ১৫-০৬৭২ গতিবিধি সন্দেহজনক হলে র‌্যাব সদস্যরা উক্ত বাসটিকে থামানোর জন্য সংকেত দিলে গাড়িটি না থামিয়ে র‌্যাবের চেকপোস্ট অতিত্রম করে চলে যাওয়ার চেস্টা করিলে রাস্তার যানজট থাকার কারণে অত্র হোটেলের সামনেই রাস্তার পাশে থামালে র‌্যাব সদস্যরা যাত্রী ও গাড়ী তল্লাশী করতে থাকে।

এ সময় তিনজন ব্যাক্তি দৌড়ে পালানো চেষ্টাকালে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামী ১। মোঃ লালু (২৪), পিতা- জহির আলম, গ্রাম- পল্লম পাড়া, থানা- টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার, ২। মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩৫), পিতা- মোঃ আলম চাঁন, গ্রাম- পুরান বড়িশিয়া, থানা- গজারিয়া, জেলা- মুন্সিগঞ্জ এবং ৩। মোঃ জাফর (৩৮), পিতা- মৃত আঃ জব্বার হাওলাদার, গ্রাম- সিরামপুর, থানা ও জেলা- পটুয়াখালি’দেরকে সন্দেহ হওয়ায় উপস্থিত যাত্রীদের সম্মুখে তাদের দেহ তল্লাশী করে তাদের পরিহিত প্যান্টের পকেট হতে ৩৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামীদেরকে গ্রেফতার করা হয়। তাৎক্ষনিক গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেয়া তথ্য এবং দেখানো মতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত বাসটির ভিতরে সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় আরও ৩,৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ সর্বমোট ৩,৯৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ উক্ত বাসটি জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ১৯ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত বাসের আনুমানিক মূল্য ৮০ লক্ষ টাকা।

উদ্ধারকৃত মালামাল ও গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে ১৯৯০ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধনী-২০০৪) এর ১৯(১) এর টেবিল ৩(খ)/(১) ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে ফেনী জেলার সদর থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email