পোলার্ডের ব্যাটে চ্যলেঞ্জিং স্কোর মুম্বাইয়ের

‘হয় মরো, নয় মারো’। বুধবার (১৬ মে) ওয়াংখেড় স্টেডিয়ামে এই মন্ত্র নিয়েই নেমেছিল রোহিতরা। তবে এমন রণনীতিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অজি পেসার অ্যান্ড্রু টাই। তার বোলিং আক্রমণে শুরুতেই পথ হারায় মুম্বাইয়ের টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা। ৭১ রানে চার উইকেট হারিয়ে যখন বিধ্বস্ত মুম্বাই শিবির। ঠিক তখনি ত্রাণকর্তা হয়ে দলের হাল ধরেন ক্যারিবীয়ন দানব পোলার্ড ও ভারতীয় অলরাউন্ডার ক্রণাল পান্ডিয়া। আর তাতে প্রীতির বোলারদের তুলো ধুনো করে চ্যোলেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করিয়েছে মুম্বাই। ফলে নির্দারিত ২০ ওভারে আট উইকেট হারিয়ে গেইল-রাহুলদের ১৮৭ রানের লক্ষ্য দেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

এদিন ওয়াংখেড় স্টেডিয়ামে প্রথমে টস জিতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান পাঞ্জাব নেতা রবিচন্দ্র অশ্বিন। আর তাতে প্রতিদিনের ন্যায় এভিন লুইসকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করেন সূর্যকুমার যাদব। ১৯ বলে দুই ওপেনার করেন ৩৭ রানের জুটি। এরপর আসে মুম্বাইয়ের বিপদ। চতুর্থ ওভারে বল নিয়ে আসেন অ্যান্ড্রু টাই। তার দ্বিতীয় বলে বোল্ড হয়ে ফিরেন লুইস। এরপর ৩৭-৭১ নেই আরো ৩ উইকেট। চারজনের মধ্যে ৩টি উইকেট শিকার করেন অস্ট্রেলিয়ান টাই। আর তাতে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয় মুম্বাইয়ের আকাশ। এরপরই ত্রাণকর্তা হয়ে আসেন ক্রণাল পান্ডিয়া ও কাইরণ পোলার্ড। দুজনে ৩৬ বলে গড়েন ৬৫ রানের জুটি। ২৩ বলে ৩২ রান করে বিদায় নেন ক্রণাল পান্ডিয়া।

ক্রণাল পান্ডিয়ার বিদায়ের পর আসেন ভাই হার্দিক পান্ডিয়া। ১৫:৩ বলের সময় ২২ বলে ৫০ রান করে বিদায় নেন পোলার্ড। তখন দলীয় স্কোর ১৫২। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে।

পরে ব্যাট হাতে আসেন বেন কাটিং। তিনি অবশ্যই বেশিক্ষণ সময় দিতে পারেননি হার্দিককে। ৭ বলে ৪ রান করে ফিরে যান কাটিং। পরে পান্ডিয়াও ফিরে যান সেই টাইয়ের বলে। ফিনিশিয়ার মিচেল ম্যাকক্লেঘানের ব্যাটে ভর করে ২০ ওভারে আট উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান সংগ্রহ করে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

পাঞ্জাবের হয়ে অ্যান্ড্রু টাই চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৬ রান দিয়ে চারটি উইকেট শিকার করেছেন এবং অশ্বিন পয়েছেন দুটি। এ ছাড়া একটি করে উইকেট নেন অঙ্কিত রাজপুত ও মার্কুস স্টোনিস।

Print Friendly, PDF & Email