শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখল মুম্বাই

অবশেষে মুম্বাইয়ের বোলাররা ম্যাচ জেতালেন।আসরের শুরু থেকে নিশ্চিত জেতা ম্যাচ হারতে থাকা মুম্বাই এবার নিশ্চিত হারা ম্যাচ জয় পেল বোলারদের কল্যাণে। জয়ের জন্য ১৮৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৩ রানে থেমে যায় পাঞ্জাবের ইনিংস। যার ফলে মাত্র ৩ রানের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিক মুম্বাই।

১১ বলে ১৮ রান করে গেইল বিদায় নিলে রাহুল-ফিঞ্চের জুটিতে জয়ের দিকে ছুটতে থাকে পাঞ্জাব। তাদের জুটি থেকে আসে ১১১ রান। একসময় পাঞ্জাবের জয়টা ছিলো সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু ফিঞ্চের বিদায়ের পর হঠাৎ ছন্দ পতন। একই ওভারে ফিঞ্চ ও স্টোনিসকে ফেরায় বুমরাহ এক ওভার পরে ৯৪ রান করা লোকেশ রাহুলের উইকেট তুলে নেয় বুমরাহ। শেষ দিকে প্যাটেল ও যুবরাজ সিংয়ের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। যার ফলে ৩ রানে হার বরণ করতে হয় পাঞ্জাবকে। ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করে ম্যাচ সেরার পুরষ্কার পায় বুমরাহ।

এর আগে এদিন ওয়াংখেড় স্টেডিয়ামে প্রথমে টস জিতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান পাঞ্জাব নেতা রবিচন্দ্র অশ্বিন। আর তাতে প্রতিদিনের ন্যায় এভিন লুইসকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করেন সূর্যকুমার যাদব। ১৯ বলে দুই ওপেনার করেন ৩৭ রানের জুটি। এরপর আসে মুম্বাইয়ের বিপদ। চতুর্থ ওভারে বল নিয়ে আসেন অ্যান্ড্রু টাই। তার দ্বিতীয় বলে বোল্ড হয়ে ফিরেন লুইস। এরপর ৩৭-৭১ নেই আরো ৩ উইকেট। চারজনের মধ্যে ৩টি উইকেট শিকার করেন অস্ট্রেলিয়ান টাই। আর তাতে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয় মুম্বাইয়ের আকাশ। এরপরই ত্রাণকর্তা হয়ে আসেন ক্রণাল পান্ডিয়া ও কাইরণ পোলার্ড। দুজনে ৩৬ বলে গড়েন ৬৫ রানের জুটি। ২৩ বলে ৩২ রান করে বিদায় নেন ক্রণাল পান্ডিয়া।

ক্রণাল পান্ডিয়ার বিদায়ের পর আসেন ছোট ভাই হার্দিক পান্ডিয়া। ১৫.৩ বলের সময় ২২ বলে ৫০ রান করে বিদায় নেন পোলার্ড। তখন দলীয় স্কোর ১৫২। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে।

পরে ব্যাট হাতে আসেন বেন কাটিং। তিনি অবশ্যই বেশিক্ষণ সময় দিতে পারেননি হার্দিককে। ৭ বলে ৪ রান করে ফিরে যান কাটিং। পরে পান্ডিয়াও ফিরে যান সেই টাইয়ের বলে। ফিনিশিয়ার মিচেল ম্যাকক্লেঘানের ব্যাটে ভর করে ২০ ওভারে আট উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান সংগ্রহ করে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

পাঞ্জাবের হয়ে অ্যান্ড্রু টাই চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৬ রান দিয়ে চারটি উইকেট শিকার করেছেন এবং অশ্বিন পয়েছেন দুটি। এ ছাড়া একটি করে উইকেট নেন অঙ্কিত রাজপুত ও মার্কুস স্টোনিস।

Print Friendly, PDF & Email