ঐতিহ্যবাহী সিমেন্ট ক্রসিং জামে মসজিদে তীব্র জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত… “তারাবি সহ ওয়াক্তীয় নামাজ আদায়ে মুসল্লিদের দূর্ভোগ চরমে”

মুঃ বাবুল হোসেন বাবলা:১১জুন(চট্টগ্রাম)।

নগরীর ইপিজেড থানাধীন সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় ভিআইপি রোডে জল দূর্ভোগ প্রতিনিয়িতই ।গত দুদিনের প্রবল বর্ষণে আর নদীর জোয়ারের পানিতে তীব্র জবলাবদ্ধতার প্রভাবে নগরীর ঐতিহ্যবাহী সিমেন্ট ক্রসিং জামে মসজিদ মারাত্মক আক্রান্ত হয়ে গত দুদিন যাবত রোজার তারাবি সহ ওয়াক্তীয় নামাজ আদায়ে চরম দূর্ভোগে পঞ্চায়েত মুসল্লি গন।

বিষয়টি বর্তমান খতিব ও পেশ ইমাম মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম খান এই প্রতিবেদক কে প্রথমে মৌখিক ভাবে পরে তার এফবি তে পোষ্ট করে দায়িত্বশীলদের জানান দিতে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেন।

এছাড়া পঞ্চায়েত অনেক মুসুল্লিরা মোবাইলে ও ব্যক্তিগত ভাবে জানিয়ে ভালো ভাবে সংবাদ করতে বলেন। মরহুমা মেহের আফজল নামে এক ইসলামী প্রেমি তৎকালিন ডিজাইনে তৈরি করেছিলেন মুসুল্লিদের সেবার্থে টি ১৯৫৪ সালে দক্ষিণ হালিশহরের ভিআইপি রোডের পাশে মসজিদ টি প্রতিষ্ঠিত করেন। সেই থেকে মোতাওয়াল্লিরা মসজিদের নামে দানকৃত ধনসম্পত্তি মসজিদের কাজে ব্যয় করে মসজিদকে দিন দিন উন্নতি ও আলোকিত করার কথা থাকলেও বর্তমান দায়িত্বশীল মোতওয়াল্লি কি কারনে মুসুল্লিদের তীব্র দুর্ভোগে নিরবতা পালন করছেন তা বোধগম্য নয়।

উল্লেখ্য যে, গত কয়েকদিনের তীব্র বৃষ্টির ফলে মসজিদে নীচতলা নামাজ ও অন্যান্য ধর্ম কর্ম উৎযাপন করত না পেরে দোতলায় ইমামের পিছনে জামায়াতে করছেন। এছাড়া ঐ দোতলা যাবার পথে হাটু সমান পানি গুলো নোংরা –আবর্জনা যুক্ত যা গায়ে লাগলে ইবাদতের অন্তরায় বলে ইমাম,মোয়জ্জিন এবং ধর্মীয় নেতারা বলছেন।
যেমনঃ তখনকার ধারণক্ষমতায় কাঠামো,পানি চলাচল, পয়ঃনিস্কাশন, অযুর ব্যবস্থা, মসজিদ ভিটির উচ্চতা ডিজাইন করা হয়েছিল। বর্তমানে তা বেমানান বা সময়, প্রকৃতি পরিবেশের ক্রমবর্ধমান পরিবর্তনের ফলে পুর্ব ডিজাইন এখন কার্যত অচল হয়ে গেছে যা মুসল্লিদের প্রতিকুলে।
বর্তমানে মসজজিদ টি মেইন সড়ক থেকে ৬/৮ফিট নিচু তলানীতে। যাহাতে সড়কের সকল ময়লা পানি সহজেই মসজজিদের মুখে ডুকে পড়ে।

এদিকে উক্ত মসজিদ যুগোপযোগি ডিজাইনে সম্পুর্ণ মেহের আফজল ওয়াকফ এষ্টেটের অর্থায়নে পুননির্মাণকাজ শুরু করুক(এটাই নিয়ম বা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ) শুরু করার দীর্ঘদিনের দাবি পঞ্চায়েত মুসল্লিদের।আর এতে ওয়াকফ এস্টেটের ধারা বা শর্ত মোতাবেক মোতাওয়াল্লি সাহেব মসজিদের উন্নয়ন করার ঘোষনা দিয়ে বারবার কথা জ্ঞাপন করছে।ফলশ্রতিতে মসজিদের মুসুল্লিরা আল্লাহর নৈকট্যে লাভে ধর্মকর্ম করতে এসে চরম ভূগান্তিতে পড়ছে প্রতিনিয়তই।

এই বিষয়ে বর্তমান কাউন্সিলর প্রতিনিধি ও সাবেক কাউন্সিলর প্রতিনিধিরা বলেন,এখানে আমাদের বলার কিছুই নেই। যেহেতু সরকার প্রতি বছর বছর সড়কের উন্নয়ন করলেঐ মসজিদ টি বিগত১০/১২বছরের মধ্যে চোখে পড়ার মতো কোন সংস্কার/উন্নয়ন কিংবা নিচতলার ফ্লোর এক ফোটাও উচ্চ করেন নি।তাই নিচু এলাকা দিয়ে বৃষ্টির পানি গড়াবে এটাই স্বাভাবিক। তবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হওয়াতে সবার একটু সহানোভূতি থাকা উচিত।

তাই সামনের প্রবল বর্ষা থেকে মসজিদ টিকে রক্ষার জন্য উচিত হবে নতুন ডিজাইনের ঘোষনা সহ মুসল্লিরা যেন নামাজ আদায়ে কষ্ট না পাই তার জন্য চর্থুর দিকে সীমানা দেয়াল এবং বর্ষা প্রতিরোধক বালির বস্তা এবং পানির পাম্পও হাওয়া মিশিন কিংবা পানি শোষন যন্ত্র ব্যবহার সাময়িক ব্যবস্থান গ্রহণ করার পরামর্শ রাখেন বিজ্ঞ লোকেরা।

তথ্য সূত্রঃ শওকত/ইমাম/ডাঃজামাল/ইমাম সহ আরো অগনিত মুসল্লি..১১/০৬/২০১৮ইং(ছবি সংগৃহিত)

Print Friendly, PDF & Email