লামায়-আলীকদমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি


মংছিংপ্রু মার্মা, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ
টানা ২দিন বন্যার পানিতে ডুবে থাকা পর বান্দরবানে লামা ও আলীকদমে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির হয়েছে। নিচু এলাকা থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে যাওয়ায় বিভিন্ন স্কুল ও মাদরাসায় আশ্রিতরা বাড়ি-ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। লামা-আলীকদম থেকে চকরিয়া উপজেলার সড়কের যোগাযোগ সাভাবিক হয়েছে। মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমা নিচে নেমে গেছে। তবে বন্যার পানি নেমে যেতে না যেতেই বিশুদ্ধ পানি সংকট দেখা দিয়েছে।
গত শনিবার থেকে তিনদিনের ভারী বর্ষণে গত সোমবার ও মঙ্গলবার টানা দুদিন পানি বন্ধী হয়ে পড়ে লামা ও আলীকদমে প্রায় ৫০ হাজারো বেশি মানুষ।
গতকাল বিকালে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি পৌরসভা আশ্রয় কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন ও বন্যার্তদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের মাঝে শুকনো খাবার চাল, ডাল ও তেল বিতরণ করেন। এসময় লামা পৌরসভা প্যানেল মেয়র মো. হোসেন বাদশা, কাউন্সিলর মো. রফিক, মো. সাইফ উদ্দিন ও সাংবাদিক তানফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। পড়ে তিনি উপজেলা সদর তপ্তর, বন্যা কবলিত এলাকার ও থানা কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
লামা পৌরসভা মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম জানান, আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে আশ্রিতদের মধ্যে রাতে পৌরসভার পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানি কমে যাওয়াই আশ্রিতরা বাড়ি ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।
লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি জানান, বন্যায় পাহাড় ধস, অন্য কোন রকম ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নেওয়া লোকজনকে সাধ্যমত শুকনা খাবার চাল, ডাল, তেল ও খাবার পানি সরবরাহ করা হয়েছে। বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী বলেন, পাহাড় ধস ও বন্যায় কি পরিবামন ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে এখনও নিরুপন করা হয়নি।

Print Friendly, PDF & Email