লিভারপুলকে হারিয়ে রেড স্টার বেলগ্রেডের চমক

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মানেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ ক্লাবগুলোর লড়াই। কিন্তু ইংলিশ লিগের ক্লাব লিভারপুল সার্বিয়ান লিগের রেড স্টার বেলগ্রেডের সঙ্গে অপ্রত্যাশিতভাবে হেরে যাবে কে ভেবেছিল? চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বলেই এগুলো সম্ভব। ইয়ুর্গেন ক্লপের লিভারপুলকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপটাকে জমিয়ে তুললো রেড স্টার।

১৯৯০-৯১ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী ক্লাবটি বর্তমান চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আগের ২১টি মৌসুমে ছিল অনুপস্থিত। আর ফিরেই ঘরের মাঠে চমক দেখালো তারা। প্রথম ম্যাচে নাপোলির সঙ্গে ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র করার পর এবার লিভারপুলকে হারালো। যদিও পিএসজি এবং লিভারপুলের মাঠে বড় ব্যবধানে হেরেছে কিন্তু তাতে কী!

ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের মাঠে আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে তারা। গোলও পেয়ে যায় দ্রুত। ২২ মিনিটে মারিনের কর্নার থেকে রেড স্টারের হয়ে প্রথম গোলটি করেন সার্বিয়ান ফুটবলার পাভকভ। অথচ এর আগের চার ম্যাচের একটিতেও প্রথম একাদশেই ছিলেন না তিনি।

রেড স্টারের দ্বিতীয় গোলটিও আসে তার পা থেকে। এবারের গোলটি ছিল এক কথায় চোখ ধাঁধানো। ২৮ মিনিটে আবারও সেই মারিনের কাছ থেকে বল পেয়ে ডি বক্সের অনেকখানি বাইরে থেকে ডান পায়ের দূরপাল্লার শটে এলিসনকে বোকা বানিয়ে রেড স্টার বেলগ্রেডকে অবিস্মরণীয়ভাবে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন তিনি।

প্রথমার্ধে ০-২ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে খেলার ধার বাড়ায় ক্লপ। কিন্তু সালাহ-মানেদের একের পর এক আক্রমণ রেড স্টারের ডি বক্সের মধ্যে গিয়েই প্রতিহত হতে থাকে। ফলে ০-২ ব্যবধানে হেরেই সার্বিয়ার মাঠ থেকে বিদায় নিতে হয় লিভারপুলকে।

এই হারে ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই রইল লিভারপুল, অন্যদিকে ৪ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে উঠে এসেছে রেড স্টার। গ্রুপের অন্য ম্যাচে পিএসজি বনাম নাপোলির মধ্যকার ম্যাচের ভাগ্যের ওপরই অনেকটা নির্ভর করছে লিভারপুলের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ভবিষ্যৎ।

Print Friendly, PDF & Email