নারী কে পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: আ.জম নাছির ”ইপিজেডে নারী সমাবেশে সিটি মেয়র ও আঃ লীগ সাঃসম্পাদক

হোসেন বাবলা: ৯ নভেম্বর
ইপিজেড অঞ্চলে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট একটি আধুনিক মাতৃসদন হাসপাতাল, স্থায়ী ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন ও পতেঙ্গা থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত নারীদের জন্য স্বতন্ত্র গণপরিবহন চালুর দাবীতে ৯ নভেম্বর শুক্রবার বিকাল ৩ টকায় বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সিইপিজেড চত্বরের বিশাল নারী সমাবেশ অনুষ্টিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র ও নগর আঃ লীগ সাঃসম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দিন বলেন, দেশের উন্নয়ন যে গতিতে এগাচ্ছে তার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আবারো বঙ্গবন্ধু কন্যা,জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে¡ নৌকা মার্কাকে জয়ী করে উন্নয়নের অবশিষ্ট কাজ করার সুযোগ দিতে অনুরোধ জানান।তিনি আরো বলেন, নারী ক্ষমতায়ন এবং নারীর উন্নয়ন অগ্রযাত্রার সুপানে মহিলা প্রকল্প চালু সহ মাতৃমঙ্গলে এগিয়ে আসার দৃঢ় আহবান করেন।আর বর্তমানে নারী উন্নয়ম মুখি সর্বদা মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন ”মাদ্রার অব হিউম্যানিটি”শেখ হাসিনা।

নাছির উদ্দীন আরো বলেন, ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এ দেশে স্বাধীন হয়েছে। এর নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আর এ সংগঠন যখনই ক্ষমতায় এসেছে এদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। এ সংগঠনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। আগামীতে এ দেশ কে পরিচালনা করবে? স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি না পাকিস্তানী প্রেতাত্তারা পরিচালনা করবে তা এ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়ে যাবে। মেয়র আরো বলেন, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনাকে পূণরায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহবান করেন । নারীদের জন্য স্বতন্ত্র গণপরিবহন চালুর দাবীতে বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিশাল নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। মহানগর মহিলা লীগের মা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক শারমিন ফারুক সুলতানার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সাবিহা মুসা, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বেগম হাসিনা মহিউদ্দিন।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মমতাজ খান, সাধারণ সম্পাদক আনজুমান আরা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর নীলু নাগ, কাউন্সিলর আফরোজা কালাম, প্রফেসর তাহমিনা বেগম, খুরশিদা বেগম, ইপিজেড থানা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুন্নাহার বেবী, ৩৮নং ওয়াড সভাপতি ফারজানা শিরীন মুন্নী, সাঃ সম্পাদক সুইটি দে ঝুমু, ৩৯নং ওয়ার্ড সভাপতি নাছিমা আকতার, সাঃ সম্পাদক রুমানা আকতার রুমা, ৪০নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আফরোজা খানম, সাঃসম্পাদক নাছিমা আকতার, ৪১নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফারজানা আকতার, সাঃ সম্পাদক স্বপ্না বেগম, ৩৭নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি পারভীন সুলতানা, আসমানী ঝুমুর প্রমূখ।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য নুরুল আলম, কামরুল হাসান ভুলু, কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, রোটারিয়ান মোঃ ইলিয়াছ, ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগের আহবায়ক হাজী হারুনুর রশীদ, যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ আবু তাহের, পতেঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক এ.এম.এন.ইসলাম, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহনেওয়াজ চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ ইলিয়াছ, ৪১নং ওয়ার্ড সাঃসম্পাদক নুরুল আলম, ৪০নং ওয়ার্ড সাঃসম্পাদক জয়নাল আবেদীন চৌধুরী আজাদ, ৩৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুলতান মোঃ নাছির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক হাজী শফিউল আলম, ৩৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক ইসকান্দর মিয়া, যুগ্ম-আহবায়ক মোর্শেদ আলী, এস.এম.আবু তাহের, সিরাজুল হক মানিক, ৩৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী জিয়াউল হক সুমন, সাবেক কমিশনার হাজী মোঃ আসলাম প্রমূখ।

অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কর্মক্ষেত্রে অবাধ প্রবেশ ও নীতি নির্ধারণে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বহুমুখী
পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। সরকারের গত ৯ বছরের নিরন্তর প্রচেষ্টায় বর্তমানে দেশে নারী শিক্ষার হার ৫০ দশমিক ৫৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) হিসেব অনুযায়ী বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে মোট ছাত্রছাত্রীর প্রায় ৫১ শতাংশ, মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫৪ শতাংশ, এইচএসসি পর্যায়ে ৪৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ ছাত্রী। বিগত সময়ের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি), জেএসসি-জেডিসি এবং এসএসসি পরীক্ষায় সাফল্য ও জিপিএ-৫ অর্জনের দিক থেকেও নারীরা এগিয়ে রয়েছে। শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করে প্রাথমিক থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত নারীদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। মেয়র বলেন বর্তমান সরকার বিগত সালে বিনামূল্যে ৩৪ কোটি বই বিতরণ করেছে। এ সরকার একাদশ জাতীয় সাংসদ নির্বাচনে জয়ী হলে সপ্তম শ্রেনী পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করবে। ২০০৯ সালে শিক্ষার হার ছিল ৫০ শতাংশের নিচে। বর্তমানে শিক্ষার হার ৭২.৭৬ এ উন্নিত হয়েছে। যা এযাবতকালে শিক্ষার হার সর্বোচ্চ। শিক্ষার এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে অচিরেই বাংলাদেশ একটি শিক্ষিত জাতিতে পরিণত হবে। তিনি বলেন বর্তমানে বাংলাদেশের দারিদ্রের হার ২২ শতাংশ। এই হারকে ২০৩০ সাল নাগাদ ১১ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে অতি দারিদ্রের হার ১২ শতাংশ এ হারকে শুন্যের কোটায় নামিয়ে এনে ২০৩০ সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যনীতির কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন এ সরকারের গণমুখি স্বাস্থ্যনীতির কারনে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭৩ বছর অথচ প্রতিবেশী দেশ ভারতের মানুষের গড় আয়ু ৬৯ বছর। এ ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ অন্যান্য দেশের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। বর্তমান সরকারের সার্বিক কর্মকান্ডের সফলতার কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন আওয়ামীলীগ সরকারের এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে একজন নারীও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত থাকবে না। শিক্ষায় নারীর অগ্রযাত্রা সমাজ ও জাতিকে আলোকিত করবে এবং দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে যথেষ্ট সহায়ক ভূমিকা রাখবে। শেখ হাসিনার সরকার সামাজিক সুরক্ষানীতির কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন ৯৬-এ প্রথমবার ক্ষমতায় এসেই তিনি বয়স্ক ও বিধবা ভাতা চালু করেন। এর পরের বার ক্ষমতায় অসীন হয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এর ভিত্তি ও ব্যাপ্তী দুই বাড়িয়েছেন। এ প্রকল্পের মধ্যে ভিজিএফ, ভিজিডি, দুস্থ নারী ভাতা, মাতৃত্বকালীন এবং দুগ্ধবতী মায়েদের জন্য ভাতা, অক্ষম মায়ের ভাতা, তালাকপ্রাপ্তা ভাতা, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচী, ৪০ দিনের কর্মসূচী, একটি বাড়ি একটি খামার রয়েছে। গ্রামের নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য সরকারের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ঋণ দেয়া হয় মাত্র ৫% সেবামূল্যের বিনিময়ে। নারী উদ্যোক্তারা ক্ষুদ্র উদ্যোগ তহবিলের ১০% এবং বাণিজ্যিক খাতের ১০% পেয়ে থাকেন। বর্তমানে ৩০ লাখের বেশি নারী কেবল তৈরি পোশাক কারখানায় তথা গার্মেন্টসে কাজ করেন, এই গার্মেন্টস খাত থেকেই আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার অধিকাংশই আসে। রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়নকে আরও জনমুখী করতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যার মধ্যে অন্যতম হলো জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা আরও ৫টি বাড়িয়ে ৫০টি করা হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে নারীদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে মনোনয়ন দেয়ার মাধ্যমে। প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সরকারের শেষ পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ১২ হাজারের বেশি নারী জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সাবিহা মুসা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার ২০২১ সালের রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নারী ও শিশুদের উন্নয়নে নানামূখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের মোট জনসংখ্যার বৃহৎ অংশ নারী। নারীর সার্বিক অধিকার প্রতিষ্টা, ক্ষমতায়ন এবং সামগ্রিক উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্তকরণের জন্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বেগম হাসিনা মহিউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাদের বাদ দিয়ে জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ কারণে শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত উদ্যোগে নারীর অগ্রগতিকে গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশে মাধ্যমিক থেকে পোস্ট গ্রাজুয়েট লেভেল পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন প্রকার মেধাবৃত্তি প্রদানের আওতায়

আনা হয়েছে। দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে টিফিন প্রদান করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফলে ঝরে পড়া কমেছে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে নারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে খোরশেদ আলম সুজন বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পেশায় নারীদের সাফল্যজনক অংশগ্রহণও বেড়েছে। সমাজের সব পেশার ক্ষেত্রেই নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। বিশেষ করে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, সশস্ত্রবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিভিন্ন কারিগরি ক্ষেত্রেও নারীরা উচ্চপদে আসীন রয়েছে। দেশের প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকতায় যুক্ত রয়েছে বহু নারী। খেলাধুলায় বিশেষ করে ক্রিকেট, ফুটবল এমনকি উচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয়েও এগিয়ে এসেছে নারীরা। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও কর্মরত রয়েছে আমাদের নারীরা। পাশাপাশি নারী কূটনীতিক, বিমানের বৈমানিক, শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জিং পেশায় যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি আমাদের নারীরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রবাসী শ্রমিক হিসেবে কর্মরত থেকে দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বিরাট ভূমিকা রাখছেন।

তিনি আরো বলেন, আবারো শেখ হাসিনা সরকার গঠন করলে ইপিজেড অঞ্চলে কর্মরত নারীদের জন্য ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট একটি আধুনিক মাতৃসদন হাসপাতাল, শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার, নারীদের জন্য স্বতন্ত্র গণপরিবহন চালু করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া গার্মেন্টস টেকনোলজিসহ মহিলাদের জন্য স্বতন্ত্র ট্রেণিং ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্টা এবং সরকারী ঘোষনা মোতাবেক চট্টগ্রাম বন্দর সহ বিভিন্ন সরকারী আধাসরকারী প্রতিষ্টানে নারীদের জন্য ৪০% চাকুরী কোটা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য জনাব সুজন আহবান জানান।

Print Friendly, PDF & Email