কর্ণফুলী ইপিজেড(স্টিল মিলস)এলাকায় নতুন ফায়ার স্টেশন চালু বর্তমানে বেপজায় ৫ লাখ জনবল রয়েছে। অথচ একসময় ২ লাখ ৮২ হাজার জনবল ছিল।

হোসেন বাবলা:০৪ডিসেম্বর(চট্টগ্রাম)

কর্ণফুলী ইপিজেডস্থ (বেপজা)‘য় একটি নতুন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন চালু করেছে। ০৩ডিসেম্বের সোমবার বিকেলে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মুহম্মদ হাবিবুর রহমান খান ইপিজেডের এই নতুন তৈরিকৃত ফায়ার স্টেশনটি উদ্বোধন করেন।
এই ফায়ার স্টেশনটিতে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রপাতিসহ আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ গাড়ি আছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহম্মদ হাবিবুর রহমান খান বলেন, দেশের জাতীয় রফতানিতে বেপজার অবদান ২০ শতাংশ। যা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে সর্বোচ্চ। চলতি অর্থবছরে বেপজার অধীন ৮ টি ইপিজেডে চালু ৪৭৬ টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে রফতানি হয়েছে ৭ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৫২ শতাংশ। তিনি বলেন, বেপজা বেকারত্বে দূরিকরণেও বিরাট ভূমিকা রাখছে। শুধু ১০ বছরে তিন লাখ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

বর্তমানে বেপজায় ৫ লাখ জনবল রয়েছে। অথচ একসময় ২ লাখ ৮২ হাজার জনবল ছিল।চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে নির্মাণ হচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় ‘বেপজা ইকোনমিক জোন’।

যার আয়তন ১ হাজার ১৫০ একর। যেখানে ৮ টি ইপিজেডের মোট জমির পরিমাণ ২৩০০ একর। সেখানেও বিরাট কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহাম্মেদ খান বলেন, বেপজার মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাছে এতোদিন কোনো ফায়ার স্টেশন ছিল না। তাই যে কোনো দুর্ঘটনা রোধে বেগ পেতে হতো এ প্রতিষ্ঠানের। কিন্তু আজ থেকে ফায়ার স্টেশন ইউনিট উদ্বোধনের মাধ্যমে খুব দ্রুত ফায়ার সার্ভিস সুবিধা পাবে প্রতিষ্ঠানটি।

নগরে আরও চারটি নতুন ফায়ার স্টেশন হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, যে কোনো দুর্ঘটনা রোধে আরও সহজতর হতে নগরের হালিশহর, পতেঙ্গা, ভাটিয়ারিসহ চারটি ফায়ার স্টেশন হবে।

একই সাথে সাবেক স্টিল মিলের পুরতান সড়ক(দক্ষিণ হালিশহরের) নুর গনি পাড়া দিয়ে কাজীর গলিস্থ মেইন রোড সংলগ্ন কর্ণফুলী ইপিজেডের পকেট গেইটও খুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে শ্রমজীবীদের চলাচলে কিছুটা সহজ এবং নিরাপদে গন্তব্য যাওয়া যাবে।

Print Friendly, PDF & Email