Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

বিমানবন্দর সড়কে হাজীদের কান্নার রোল…! সিমেন্ট ক্রসিং-সল্টগোলা রেলক্রসিং এলাকায় তীব্র জলযট আর যানজট

(মুঃ বাবুল হোসেন বাবলা:চট্টগ্রাম০৯জুলাই)
নগরীর ইপিজেড থানাধীন সিমেন্ট ক্রসিং -সল্ট রেল ক্রসিং এলাকায় তীব্র জলযট আর যানজটে হাজার হাজার যাত্রী সাধারণ প্রধান সড়ক থেকে সরু অলি-গলিতে বিভিন্ন ভাবে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪.৩০মিনিট পর্যন্ত আটকে ছিল সড়কে।
বিশেষ করে গত৩/৪দিন যাবত ধরে বর্ষার টানা বর্ষণে ৩৮,৩৯ ও ৪০নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা চারদিকের থৈ থৈ পানি নিয়েই দিনযাপন করছে ।এই এলাকার মানুষগন বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এখন ঘর থেকে বের হবার ও কোন উপায় নাই। কারণ প্রধান সড়কের মাঝে ওভারব্রিজের উন্নয়ন কাজের জন্য রাস্তা সরু করে এই লাইনে গাড়ী চলছে। যা জন্য গাড়ী আর ময়লার পানি যেন একাকার হয়ে গেছে।
এদিকে পবিত্র হজ্ব পালনের জন্য বিমানবন্দর সড়কে বিমানগামী হাজ্বীরা সকাল থেকে যাত্রা কালেই প্রধান বাধা হয়ে দাড়িঁয়েছে বর্ষার টানা বর্ষণের পানি জমে তীব্র জলাবদ্ধতা আর সড়কের মাঝে উন্নয়ন কাজের কারনে এক পাশের সড়ক বন্দ থাকায় এই উপক্রম হয়েছে পুলিশের টিআই জানিয়েছেন। শুধু তাই নয় এই কারণে সিমেন্ট ক্রসিং -সল্ট রেল ক্রসিং,বন্দর কাস্টম মোড় পর্যন্ত কোন রূপ গণপরিবহণ/যাত্রীবাহি গাড়ী যেতে পারি নি।
ফলশ্রুতিতে জেলা, উপজেলা,মহানগর আশ-পাশের এলাকা থেকে আশা হজ্বযাত্রীরা সবচেয়ে বেশী ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। নাম প্রকাশে অনাচ্ছুক হাটহাজারীর মেগলের এক হাজী সকাল১১.৩০মিঃ দাঁড়িয়ে অনেকটাই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।এছাড়া বন্দরের সগির,পাহাড়তলীর জলিল হাজী শেষ মেষ ফ্রি-পোর্ট(ইপিজেড) তেকে পায়ে হেটে সিমেন্টক্রসিং গিয়ে রিক্সা যোগে বিকল্প সড়কে বিমানবন্দর গিয়েছেন বলে প্রতিবেদক কে জানান।
মঙ্গলবার সকাল থেকে দূর্যোগ,দূর্ভোগ আর জিম্মিতে নার্ভিশ্বাস হয়ে পড়েয়েছে হালিশহর-পতেঙ্গাবাসীর জনগন।গত ২দনি বিদ্যুৎ-গ্যাস বিহীন অবস্থায় থাকার পর আজ আবারো তীব্র জলাবদ্ধতায় যেন মরার উপর খরার ঘা বলে শাহ আলম(মাইজপাড়ার) জানান।
টানা বর্ষনে নিচু এলাকা সিমেন্ট ক্রসিং-আকমল আলী রোড,কাজীগলি-বি আলম রোড,স্টীল মিল বাজার-খেজুর তলা, হোসেন আহম্মদ পাড়া-কাটগড় মুসলিমাবাদ,দক্ষিণ পাড়া,মাইজপাড়া,হিন্দুপাড়া,চরপাড়া,বন্দরের নিউমুরিং-বন্দরটিলা নয়াহাট,ইপিজেড কলসি দিঘী-আনন্দ বাজার চৌদুরী পাড়া,কাস্টম-নিমতলার নিচু এবং গোসাইল ডাঙ্গার নিচু এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে।
এসব এলাকার ৩৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্রতিনিধি ছাড়া বাকি কোন এলাকার প্রতিনিধিদের কাজের অগ্রগতি চোখে পড়ার মতো হয়নি বলে প্রবিণ সংগঠক ইলিয়াছ জানিয়েছেন্। তবে সব এলাকায় তৎপরা দরকার বলে অবগত করলেন। এই রিপোর্ট লেখা (৩.৫৫মিঃ)পর্যন্ত হাজীরা সড়কেই আটকে ছিল বলে দেখা গেছে। তবে বেশ কয়েকজন হাজী পাযে হেটে ওরিক্সা যোগে বিমানের পথ ধরেছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছ্।
আর চলমান ডিগ্রি পরীক্ষার্থীদের কষ্টের কথা না বল্লেও প্রতিবেদন টি স্বার্থকতা পাবেনা। এই ডিগ্রী পরীক্ষার্থীরা ২/৩ঘন্টা দাড়িয়ে অবশেষে পায়ে ইপিজেড মোড এসে ৩/৪গুন ভাড়াদিয়ে শহরের পথে গেছেন বলে এক পরীক্ষার্থীর স্বামী জয়স্যার জানিয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email