Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

বন্দর এলাকায় যানজটে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ বন্ধ

যানজটের কারণে বন্দর এলাকায় নির্মাণাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সল্টগোলা ক্রসিং থেকে সিমেন্ট ক্রসিং অংশের কাজ ‘সাময়িক’ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আউটার রিং রোড এবং সিইপিজেড থেকে রিং রোড পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণের পর বন্ধ রাখা ওই অংশের কাজ শুরু হবে। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) সম্মেলন কক্ষে এলিভেডেট এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

প্রকল্প পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, সল্টগোলা ক্রসিং থেকে সিমেন্ট ক্রসিং অংশে কাজ শুরুর পর ওই এলাকায় যানজট বেড়ে গেছে জানিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ বিকল্প সড়ক চালু করে ওই অংশে কাজ করার প্রস্তাব দেয়। মূলত বন্দরকেন্দ্রিক যানজটের কারণে ওই অংশে কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জানা গেছে, এলিভেডেট এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ নিয়েও জটিলতা ছিলো। কর্ণফুলী টানেলের কারণে সেখানে নকশায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। কর্ণফুলী টানেল ও শাহ্ আমানত বিমানবন্দরের সংযোগ সড়কে মিলিত হবে এলিভেডেট এক্সপ্রেসওয়ে। এ ছাড়া উঠানামার জন্য পতেঙ্গা সৈকত এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নতুনভাবে র‌্যাম্প নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক বলেন, বন্দরের আপত্তির কারণে এক্সপ্রেসওয়ের নকশায় ইতোমধ্যে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বারিক বিল্ডিং মোড় থেকে সল্টগোলা ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার ডানপাশে দিয়ে এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ হবে। ওই অংশে বন্দরের একটি ফ্লাইওভার রয়েছে, সেটির পাশ দিয়ে যাবে এক্সপ্রেসওয়ে।

সমন্বয় সভায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম. জহিরুল আলম দোভাষ, কর্ণফুলী টানেল প্রকল্প পরিচালক মো. হারুনুর রশীদ, আউটার রিং রোড প্রকল্প পরিচালক ও সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস, চসিকের প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান প্রকৌশলী মাহমুদুল হোসাইন খানসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১১ জুলাই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয়ে লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

Print Friendly, PDF & Email