Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

আতা ফল খেলে কী হয়

আতা গাছে তোতার ছড়া ছেলেবেলায় কে না পড়েছে! মিষ্টি স্বাদের দেশি ফল এই আতা। সুগন্ধযুক্ত এই ফলটি শুধু দেখতে কিংবা খেতেই সুন্দর নয়, এটি আমাদের শরীরের জন্যও বেশ উপকারী। খাবার তালিকায় আতা ফল রাখলে খুব সহজেই মিলবে বেশকিছু উপকারিতা।

পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ আতা ফলে প্রতি ১০০ গ্রামে পাওয়া যায় শর্করা ২৫ গ্রাম, পানি ৭২ গ্রাম, প্রোটিন ১.৭ গ্রাম, ভিটামিন এ ৩৩ আইইউ, ভিটামিন সি ১৯২ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.৭ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ১৮ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২১ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৩৮২ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ৪ মিলিগ্রাম। জেনে নিন আতাফলের কিছু উপকারিতা-

হাড় মজবুত করে: আতায় প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে যা শরীরের হাড় গঠন ও মজবুত রাখার জন্য কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই হাড় মজবুত করতে আতা ফল খাওয়া উচিত।

রক্তাচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: আতার মধ্যে পটাসিয়াম রয়েছে। এই খনিজ উপাদানটি রক্তবাহের প্রাচীরকে রিলাক্সে রাখতে সাহায্য করে। যে কারণে রক্তচাপ ক্রমে নিয়ন্ত্রণে আসে। পাশাপাশি খারাপ কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে বের করে দেয় এই ফলটি।

হজমশক্তি বাড়ায়: আতাফলে থাকা ফসফরাস খাবারের হজম শক্তিকে বাড়িয়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এর খাদ্যআঁশ হজমশক্তি বৃদ্ধি করে ও পেটের সমস্যা দূর করে। তাই যাদের হজমের সমস্যা আছে তারা আতা ফল খেলে অনেক উপকার পাবেন।

দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়: আতাফলে প্রচুর ভিটামিন এ আছে। আর ভিটামিন এ এর উপস্থিতির কারণে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। তাই যাদের চোখের সমস্যা তারা আতা ফল খাবেন, এতে চোখের উপকার হবে।

রক্তশূন্যতা দূর করে: আতাফল আয়রনে পরিপূর্ণ। তাই অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতায় যারা ভুগছেন, তাদের জন্য আতা খুব উপকারী ফল। লোহিত রক্তকণিকা বাড়তেও সাহায্য করে আতা।

ত্বক ও চুলের যত্ন: আতা ফলে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ফ্রি রেডিক্যাল নিয়ন্ত্রণ করে ত্বককে রক্ষা করে। এছাড়া ত্বকে বার্ধক্য বিলম্বিত করে এই ফলটি। এতে উপস্থিত ভিটামিন এ এবং সি চোখ, চুল ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

হৃদরোগ প্রতিরোধ করে: আতা ফলে থাকা ম্যাগনেসিয়াম মাংসপেশির জড়তা দূর করে এবং হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। তাছাড়া এর পটাশিয়াম ও ভিটামিন বি৬ রক্তের উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

Print Friendly, PDF & Email