Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

ইপিজেড শ্রমিকদের জন্য লকডাউন সাময়িক শীতিল হয়েছে কি..? গামেন্টস মালিক আগে না নিজের জীবন আগে?

মন্তব্য প্রতিবেদনঃ৮এপ্রিল

সিএমপি পুলিশের নির্দেশনায় চট্টগ্রাম মহানগরীর সর্বত্রই লকডা্কউন কার্য্যকর হলেও ইপিজেড এলাকার ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা দেখতে পাওয়া গেছে । সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে এবং বেপজার ঘোষনা কে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বেশ কিছু ফ্যাক্টুরী খোলা থাকায় বিকেল- সন্ধ্যা রাত্রী পর্যন্ত ইপিজেড থানা এলাকায় লকডাউন কর্মসূচি পালনে অনিহা দেখা গেছে।

মাইকিং করার পরও নারী ও পুরুষ শ্রমিকরা দিব্যি লাইন দাড়িঁয়ে মোবাইল ব্যাংক থেকে বেতন/ চাহিদা মাফিক টাকা উত্তোলন করার দৃশ্যটি কি প্রমান করলো ?এদের জন্য কি সরকার বা বেপজা নিশ্চিয় আলাদা আইন করেছে…?

এক দিকে গোটা বিশ্ব মহামারি খ্যাত ”করোনাভাইরাস”রোগে প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে সামাজিক বা শাররীক দূরত্ব ২/৩ফুট বজায় থাকার শ্লোগান প্রতিনিয়তই মিডিয়াতে প্রচার হচ্ছে।কিন্ত এই অভুক্ত শ্রমিকরা কোন নিয়ম নীতির বালাই ওমানছেন না।

সত্যি এই যে, এরা গত ৭/৮দিন পূর্বে দেশের বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চল থেকে ঘুরে এসে কারখানাতে যোগদান করেছে।এদের মধ্যে কারো যদি করোনা সংক্রমিত হয় তা হলে বলার অপেক্ষা থাকবে না যে, মৃত্যুর মিছিল কত দীর্ঘ হবে..?

একটি এফবির সূত্রে দেখা গেছে যে,ইপিজেড থানার ওসি ও তদন্ত ওসির নির্দেশনায় পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা ও লকডাউন পালনের জন্য থানার এসআই মোঃ নাছির ও সঙ্গীয় ফোর্সের উপস্থিতিতে হ্যান্ড মাইক দিয়ে মাইকিং করে নিরাপদ স্থানে/বাসাবাড়ীতে যাওয়ার ঘোষনা প্রচার করছে। দৃশ্যটি দেখে যে কেউ একবার হলেও হাস্যকর আর হবু রাজার-গবু মন্ত্রীর গল্পের কথা ভাববেন।

তাই মন্তব্য প্রতিবেদনটিতে বলার কথা যে, গামেন্টস মালিক আগে না নিজের জীবন আগে? আর বাচাঁর জন্য অন্ন-বস্ত্র,বাসস্থান ও চিকিৎসা-শিক্ষা যেমন জরুরী তেমনী দেশের আইন কে মানা ও নাগরিক দায়িত্ব কর্তব্য।

বিঃদ্রঃ চট্টগ্রামের বেশ কয়েকটি গামেন্টস শিল্প বেপজা, বিজিএমইএ, বিকিএমই এবং সরকারী নিয়মনীতি মানেন বলে ভুক্তভোগি শ্রমিক শ্রেনীরা জানিয়েছেন।
তবে যাই হোক দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বেতন নিতে পেরে শ্রমিকরা কিছুটা সস্তিতে আছেন।

Print Friendly, PDF & Email