Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

করোনা চিকিৎসায় আশা জাগাচ্ছে ফিজার ও জার্মান বায়োটেকের টিকা

 

করোনা চিকিৎসায় আশা জাগাচ্ছে ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ফিজার এবং জার্মান সংস্থা বায়োটেক-এর তৈরি টিকা। যাদের ওপর এই টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে, তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে অনেকটাই। দেহে তৈরি হয়েছে অ্যান্টিবডি।

বুধবার প্রাথমিক পরীক্ষায় মিশ্র ফল পাওয়া গেছে।

তবে অনেকের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে তা প্রাণঘাতী নয় বলে জানা গেছে। ফলে সংস্থা দুটির দাবি, তাদের তৈরি টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ অনেকাংশেই সফল। যদিও চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহারের আগে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।

ফিজার এবং বায়োটেক-এর কভিড-১৯ টিকার প্রাথমিক পরীক্ষার ফলাফল এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। তাতে বলা হয়, মোট ৪৫ জনের ওপর এই টিকা প্রয়োগ  করা হয়েছে।

তাদের মধ্যে প্রথম ১২ জনকে ১০ মাইক্রোগ্রামের ডোজ দেওয়া হয়েছে। আরো ১২ জনের ওপর ৩০ মাইক্রো গ্রামের ডোজ, ১২ জনকে ১০০ মাইক্রোগ্রামের টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে। বাকি নয়জনকে প্লাসবো দেওয়া হয়েছে।

যাদের ওপর ১০০ মাইক্রোগ্রামের টিকা প্রয়োগ করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে অনেকেরই জ্বর, মাথাব্যথা, ঘুম নষ্ট হওয়ার মতো একাধিক উপসর্গ দেখা দিয়েছে।

তিন সপ্তাহ পর ওই ৪৫ জনের ওপর আবারো টিকা প্রয়োগ করা হয়। তাতে দেখা যায়, ১০ মাইক্রোগ্রামের ডোজ দেওয়া হয়েছিল যাদের, তাদের মধ্যে ৮.৩ শতাংশ এবং ৩০ মাইক্রোগ্রাম প্রয়োগ করা হয়েছিল যাদের ওপর, তাদের মধ্যে ৭৫ শতাংশ ব্যক্তির জ্বর এসেছে।

সব মিলিয়ে এই টিকা যাদের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৫০ শতাংশ ব্যক্তির মধ্যে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তবে তার কোনোটাই প্রাণঘাতী নয় বা হাসপাতালে ভর্তি করার মতো নয়।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই টিকা সার্স-করোনাভাইরাস-২ এর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। অর্থাৎ কভিড-১৯ এর জীবাণুর বিরুদ্ধে ইমিউনিটি তৈরি করে দেয়।

আবার আক্রান্তের শরীরে এমন কিছু অ্যান্টিবডি তৈরি করে; যা এই জীবাণুকে ধ্বংস করে দেয়। বলা হচ্ছে, সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর দেহে অ্যান্টিবডির পরিমাণ ১.৮-২৮ গুণ বাড়িয়ে দিতে সক্ষম এই টিকা।

তবে এটা কি করোনামুক্ত করতে কাজে দেবে, কিংবা এই টিকা নিলে করোনাকে প্রতিহত করা সম্ভব হবে কিনা, তা জানার এখনো বাকি। সে বিষয় জানতে নতুন করে পরীক্ষা শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email