Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

“রোগিদের দূর্ভোগ চরমে”চমেক হাসপাতাল স্বাস্থ্যহীন হয়ে উঠছে,স্বাস্থ্যসেবা দিবে কে..? প্রতি পদে-পদে টাকা দিতে রোগি ও স্বজনদের,সহ্য করতে হয় চরম নির্যাতন.......!

(মতামতের জন্য সম্পাদক কোন অংশেই দায়ী নহে)

চমেক হাসপাতাল তো নয় যেন আস্ত একটি কসাই খানা। দিন দিন যেন এটির স্বাস্থ্য রক্ষা করা বা স্বাস্থ্যহীন রোগাটে হয়ে উঠছেন নগরীতে।
প্রতিদিন দেশের নানা প্রান্ত থেকে নানা রোগে আহত হয়ে চমেকে আসেন রোগি সহ আত্মীয়রা।আর সেবা নিতে এসে পড়েন নানা বিড়ম্বনায়ে……!

চট্টগ্রাম মেডিক্যালে জরুরী বিভাগে রুগী নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে টিকেট নিতে হবে। টিকেট ১০টাকা, টিকেট নেওয়ার পর, যদি রোগী ভর্তি করতে হয়। লিখা ১৫টাকা কিন্তু টিকেট ২০টাকা।

টিকেট নেওয়ার পর রোগীকে হুইল চেয়ারে করে ওয়ার্ডে নিয়ে গেলে ১০০টাকা, আর রোগীর অবস্থা খারাপ হলে ট্রলি দিয়ে নিতে ২০০টাকা,ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়ার পর রোগীর সাথে ১জনের বেশি প্রবেশ করলে জন প্রতি ২০টাকা, ৫০টাকা হলে বেড আছে। না হয় মাটিতে। রোগী ভর্তি শেষ। এবার ডাক্তারের পালা। ডাক্তার আসবে রোগী দেখবে।তারপর শুরু হবে পরিক্ষা। প্রথমে কমপক্ষে ৪টি পরিক্ষা সাথে ১বস্তা স্যালাইন ও কিছু ঔষধ। পরিক্ষার রিপোর্ট আসা পর্যন্ত স্যালাইনআরঔষধচলবে।

রিপোর্ট আসার পর আরেক ডাক্তার আসবে সে দেখে আবার অন্য পরিক্ষা দিবে।এভাবে প্রতিদিন ডাক্তার পরিবর্তন হবে আর একটার পর একটা পরিক্ষা দিবে।পরিক্ষা করাতে হুইলচেয়ারে নিয়ে গেলে ১০০টাকা আর ট্রলিতে নেওয়া লাগলে ২০০টাকা ওয়ার্ড বয়কে দিতে হবে। আর প্রতিদিন নতুন নতুন ঔষধ যোগ হবে।প্রতিদিন রোগীর সাথে দেখা করতে আসলে দারোয়ানকে খুশি করতে হবে।সব পরিক্ষা শেষ। এবার অপারেশন এর পালা।অপারেশন করতে ৬০০০ থেকে ৭০০০ টাকার ঔষধ কিনে ডাক্তারের হাতে দিতে হবে। যাহা অফেরতযোগ্য।অপারেশনে যদি রোগী মারা যায়। টাকা এবং মানুষ সব শেষ। হাতে ভিক্ষার বাটি।

আর অপারেশন যদি সাক্সেস হয়।অপারেশন থিয়েটারের বয়কে খুশি করতে হবে।দারোয়ানকে খুশি করতে হবে। আর অপারেশন রোগিদের প্রতিদিন ড্রেসিং করার জন্য ও খাওয়ার ঔষধ কিনতে হবে রোগী সুস্থ্য, ইত্যাদি ইত্যাদি অজুহাতে রোগিদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন কিছু কতিপয় দুষ্ঠ চক্র।

রোগি রিলিস দেওয়ার রোগি ও স্বজন কে হতে পালাক্রমে নির্যাতন(যাকে খারাপ ভাষায় গণ ধর্ষন ও বলে চলে। নার্স ,দারোয়ানকে খুশি , ওয়ার্ড বয় কে খুশি করতে হবে। সবাইকে খুশি করে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসার সময় দেখি স্বজন বা আত্মীয়রা ওরোগি হয়ে বাসায় ফিরেন। তারপর বাহিরে এসে দেখবেন জাতির সেই ব্যানার ঝুলে আছে,আমি ও আমরা সবাই সাধু বাবার মাজার বানিয়েছি। আমাদের ইবাদত ফি টা দিবেন না….?
উপরোক্ত বিষয় গুলো বর্তমান সময়ে খুব জরুরী, কেন না মহামারি করোনাতে কম বেশী সবাই অসহায়ত্ব বোধ করছেন লকডাউন ওকরোনায় আক্রান্ত হয়ে। এর মধ্যে যদি সেবা নিতে গিয়ে বা রোগি হয়ে হাসপাতালে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হতে হয় তাহলে মৃত্যুর পূর্ব মূহত্ব কেউ আর চমেক হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে যাবে না।

তাই বিষয়টি যথাযত কর্তৃপক্ষ ভালো ভাবে দেখে দায়িদের ব্যাপারে জরুরী পদক্ষেপ নিয়ে মহামারি করোনা তে সবাই কে সেবার সুযোগ করে দিতে বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

ভুক্তভোগি রোগিদের পক্ষে–হোসেন বাবলা, চট্টগ্রাম । (ছবিওতথ্য–সংগৃহিত)

Print Friendly, PDF & Email