Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি’কে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সুপারিশ

 

দুর্যোগ আক্রান্ত এলাকার মানুষের সেবায় নিয়োজিত ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি’কে (সিপিপি) প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০২১ সালের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ মনোনয়নের জন্য প্রস্তাব করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

একইসঙ্গে সিপিসির স্বেচ্ছাসবকদের সামাজিক দুর্যোগ অর্থাৎ মাদকাসক্ত, নেশাগ্রস্ত, মাদক ব্যবসায়ী, সামাজিক অবক্ষয়, ইভটিজিং ইত্যাদি মোকাবিলা করার লক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করতে এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এ কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্তি করার সুপারিশ করা হয়।

সংসদ ভবনে বুধবার অনুষ্ঠিত ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ১২তম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, মো. আফতাব উদ্দিন সরকার, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জুয়েল আরেং বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) ১৯৭২ সাল থেকে মানুষের সেবা করে আসছে। তাদের অবদানে ঘূর্ণিঝড়ে মানুষের মৃত্যু ১০ লাখ থেকে কমিয়ে সিঙ্গেল ডিজিটে আনা সম্ভব হয়েছে। তাই এ প্রতিষ্ঠানটিকে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২১ সালে মনোনয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করার সুপারিশ করে কমিটি।

এছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে বন্যাপ্রবণ এবং নদী ভাঙন এলাকায় সিপিসির স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ করার সুপারিশ করে কমিটি। একইসঙ্গে এ বিষয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে মুজিব জন্মশতবর্ষে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় সিপিসির জন্য নগদ টাকা বরাদ্দের পদক্ষেপ নেওয়ায় মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানানো হয়।

বৈঠকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Print Friendly, PDF & Email