Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

ভাষার মাসে: পথে-প্রান্তরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও সংগঠকদের সাথে কথোকথন…! বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল হাশেম (আর্টিস্ট) ও প্রবীন সংগঠক মোঃ আলী হোসেন

(মুঃবাবুল হোসেন বাবলাঃ২৩ফেব্রুয়ারী:চট্টগ্রাম)

দক্ষিণ পতেঙ্গার লালদিয়ার চরের দীর্ঘদিন বসবাসরত বাসিন্দাদের উচ্ছেদের খবর সংগ্রহকালে বহু বছর পরে দেখা মিলল(দঃহালিশহরের) নারিকেল তলাস্থ(হাজী নুরগনি পাড়ার) স্থায়ী বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল হাশেম (আর্টিস্ট)।একই সাথে হঠাৎ দেখা মিলল অপর প্রবীন সংগঠক(বঙ্গবন্ধুর) সমর্থক মোঃ আলী হোসেন।

মুক্তিযোদ্ধা হাশেম জানাই, তিনি এক সময়ে ধানমন্ডির ৩২নং বাড়িতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সাথে বসে দেশের রাজনীতির বিভিন্ন পরামর্শ সহ সাংগঠনিক বিষয়ে সরাসরি আলোচনা করতেন।

দেশ স্বাধীনের পরে তিনি নগরীর বন্দরটিলা এলাকায় আলী মার্কেটে একটি আর্টের দোকান(ছবি ও লিখার) দোকান করে সংসার চালাতেন। বর্তমানে তিনি অভাবের কারণে বসভিটে বিক্রি করে ৪১নং ওয়ার্ডের (ডেইল পাড়াস্থ)একটি ভাড়াবাসায় অত্যন্ত মানবেতর জীবন-যাপন করছেন বলে সংবাদ মাধ্যম কে জানিয়েছেন।

অপর মুক্তিযোদ্ধার সংগঠক মোঃ আলী হোসেন জানাই, এই সময়ে বীর মহিউদ্দিন চৌধুরীর খুব বেশী প্রয়োজন ছিল। তিনি থাকলে-লালদিয়ার চরের বাসিন্দাদের পাশে দেখে তা প্রতিরোধে মূখ্যভুমিকা রাখার চেষ্টা করতেন। তার কথায় বুঝা গেল,বর্তমানে চট্টগ্রামে রাজনৈতিক নেতৃত্ব শূন্য বিরাজ করছে।

তিনি আরো আক্ষেপ করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধের স্বপক্ষের সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অথচ- প্রকৃত দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধারা পথে-প্রান্তরে ,অনদার-অবহেলা আর বঞ্চনার শিকার হয়ে দূর্ভোগ-পৌহাচ্ছে। এই দায় কার…..! আমাদের প্রতি কেউ কি সদয় এগিয়ে আসবেন না…… ।
তারা আরো জানাই, অভাব ও অজানার কারণে মুক্তি সনদ বা সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে না পারায় রাষ্ট্রীয়ভাতা পাচ্ছেন না । যা অত্যন্ত দূঃখের বিষয়।
বাল্যবন্ধু ও সহপাঠি মোঃ জামাল হোসেন শাহিন ও আমি হোসেন বাবলা লালদিয়ার চরের বাসিন্দাদের উচ্ছেদের খবর সংগ্রহকালে ১২নং রোড এলাকায়(তুলাতুলি) লালদিয়া স্পোটিংক্লাবের সামনে এই দুই গুনীজনের স্বাক্ষাত পেয়ে এক চা খাওয়াতে পেরে নিজেদের ধন্যমনে করিছ। নিছক গল্প নহে–এদের জন্য কিছু একটা করার জন্য রাষ্ট্রীয় জনপ্রতিনিধি,জেলা প্রশাসন, সিটি মেয়র এবং যথাযত কতৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

Print Friendly, PDF & Email