Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

জাতীয় শ্রমিক লীগ চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা

 

বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ মার্চ সরওয়ার্দ্দী উদ্যানে
বিশাল জনসভা থেকে মূলত: স্বাধীনতা ঘোষাণা করেছিলেন
জাতীয় শ্রমিক লীগ চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অদ্য ৭ মার্চ ২০২১ইং তারিখ সন্ধ্যা ৬টায় সংগঠনের সভাপতি বখতেয়ার উদ্দিন খান এর সভাপতিত্বে দারুল ফজল মার্কেটস্থ সংগঠন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম উদ্দিন চৌধুরী প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ১৯৪৮ ইং থেকে বাংলা ভাষা, আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলন, গণআন্দোলনের সূচনা করেছিলেন। তিনি বাংলার মানুষের অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে গণমানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য গ্রামে গ্রামে সভা, সমিতি করে মানুষকে উজ্জীবিত করেছিলেন। সকল চক্রান্ত উপেক্ষা করে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাঘরিষ্ঠতা লাভ করেছিলেন। অত:পর পাকিস্তানী শাসক চক্র বঙ্গবন্ধুর দাবি আদায়ে ষড়যন্ত্র করায় তিনি ১৯৭১ সালে ৭ মার্চ ঐতিহাসিক সরওয়ার্দী উদ্যানের বিশাল জনসভা থেকে মূলত বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর বলেন, বঙ্গবন্ধু এদেশের মানুষের মনের কথা বুঝতেন। তাই তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের সুরে কথা বলতেন। সাধারণ মানুষের আপদে-বিপদে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়তেন। তাঁর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ এদেশের মানুষের মুক্তির পথ সুগম করেছিলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মো. মাহফুজুর রহমান খান বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল। ১৯৫৪ সালে যুক্ত ফ্রন্টের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠনে তাঁর বিশেষ ভূমিকা ছিল। তিনি আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন। শিক্ষা কমিশন আন্দোলনে তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছিলেন। ১৯৬৪ সালে নির্বাচন, ৬ দফা আন্দোলন ও বাংলার স্বায়ত্বশাসন আন্দোলনের তিনি সূচনা করেছিলেন, সে আন্দোলনের সর্বশেষ রূপ ঐতিহাসিক সরওয়ার্দী উদ্যানে লক্ষ জনতার সভায় তিনি বাংলাদেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করে মুক্তিযুদ্ধ সূচনা করেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও আমিন জুট মিল সিবিএ’র সাবেক সভাপতি মোহব্বত আলী খান, জাতীয় শ্রমিক লীগ, কালুরঘাট আঞ্চলিক শ্রমিক লীগের সভাপতি আলী আকবর, চট্টগ্রাম লবণ শ্রমিক লীগের সভাপতি আবদুল মতিন মাস্টার, মহানগর শ্রমিক লীগ নেতা মো. নুরুল আলম, দোকান কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, নাসিরাবাদ আঞ্চলিক শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বশর মাস্টার, টেরিবাজার দোকান কর্মচারী লীগের মো. ফারুক, কোতোয়ালী থানা শ্রমিক লীগের সভাপতি প্রবীণ কুমার ঘোষ, কোস্টার হেজ শ্রমিকলীগের সভাপতি মো. আলমগীর, রেল শ্রমিকলীগ নেতা মো. রাশেদ, মো. কবীর হোসেন, মো. শাহাদাত, পদ্মা অয়েল শ্রমিক লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. জাফর ইকবাল, বায়েজিদ থানা শ্রমিক লীগের সভাপতি দিদারুল আলম, গার্মেন্টন্স শ্রমিক লীগ নেতা মো. মোরশেদ, জুয়েল বড়–য়া, আলাউদ্দিন, আনন্দ, জহুর মার্কেট কর্মচারী সমিতির সভাপতি সাহাব উদ্দিন, কোতোয়ালী থানা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন রিকু, সংবাদপত্র হকার্স লীগের সভাপতি সরোয়ার আলম, রেলওয়ে শ্রমিক লীগের নেতা ওলিউল্লাহ স্বপন, ডবলমুরিং থানা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. খোকন, গ্যাস পাইপ লাইন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম, চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিক লীগের সদস্য, দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর, জাহেদুল হক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

Print Friendly, PDF & Email