Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes

র‌্যাব -পুলিশ সচেতন জনগণ কি অচেতন…? “করোনার প্রজেক্ট ’এর’ করুণ হাল”

হোসেন বাবলাঃ০৯জুলাই(চট্টগ্রাম)

বৈশ্বিক করোনাভাইরাস কালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বিশ্ব স্বীকৃত ডাইলগ-বেশী বেশী হাতধোন,হ্যান্ড ওয়াশ এন্ড গ্লোভস ব্যবহার করণ আর কমপক্ষে ২০-৩০ সেকেন্ড হাতধোঁয়া বিষয়টি।

সেই ডাইলগটি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ ,স্বাস্থ্যওপরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় কর্তৃক এবং আইডিএসআর সহ দেশের বিভিন্ন সংস্থা প্রতিষ্ঠান কে দায়িত্ব দিয়ে জনগণ কে সচেতন করতে ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা মানতে দেশের বিভিন্ন স্থানে হাত-ধোঁয়ার অস্থায়ী কিছু প্রকল্প বিভিন্ন বাহিনী, সংস্তা, প্রতিষ্ঠান, চসিক,এনজিও,সংগঠক এবং ব্যক্তি উদ্যোগও স্থাপন হয় হ্যান্ড ওয়াশিং বা হাত পরিস্কার রাখা কার্যক্রম র্স্পট।

বাংলাদেশে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় সর্বপ্রথম ০৮ই মার্চ থেকে বিশেষ নির্দেশিকা জারি এবং ২৫মার্চ সরকারী ছুটি লগডাউন বিধিবিধান জারি করেই প্রতিটি পয়েন্টে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কনসেপ্ট হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হ্যান্ড ওয়াসিং কার্যক্রম করলে করোনাভাইরাস হাত হয়ে শরীরের অন্য অঙ্গে রোগ-জীবানু প্রবেশ করতে পারবে না।কিংবা হাওয়া-বাতাস ছোয়াচে লেগে অন্যর শরীরে রোগ বিস্তার প্রতিরোধ হবেই।তাই শাররিক দূরত্বও বজায় রাখার নির্দেশ দেন।

দেশে শুরুতেই এই কনসেপ্টটি সবার নজরে ভালো দাগ কাটলেও সময় পেরিয়ে২/৩মাসের মাথায় সব যেন “তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পড়লো” হাত ধোঁয়া কার্যক্রম টি। তেমনি বেশ কিছু পয়েন্টে র্যা ব-৭, সিএমপি পুলিশ,চসিক, জেলা প্রশাসন,বন্দর,নৌ-বিমান,আনসার, কোস্টগার্ড স্থানীয় কাউন্সিলর বিভিন্ন সংস্থা-প্রতিষ্ঠান, সংগঠন ওব্যক্তি পর্যায়ের উদ্যোগটি যেন আজ শুধু যাদুঘরের দৃশ্য।

সবাই বলাবলি করছে..র্যা ব-পুলিশ সচেতন আর আম জনতা কি অচেতন..? তা না হলে কেন আজ মহামারি করোনাতে প্রতিদিনর মতো এই বিশাল ব্যায়ের হাত ধোঁয়া কার্যক্রম টি নোংরা-ময়লা আবর্জনা আর অবহেলার শিকার হয়ে দীর্ঘ ১থেকে ২ মাস যাবত পড়েছে সংস্কার বিহীন। আবার এই প্রজেক্ট গুলো সটিক স্থানে বসানো হয়নি বলেও সচেতন জনতা-পথচারীএবংস্থানীয় বাসিন্দারা মন্তব্য প্রকাশে বলেন। তারা জানাই, এগুলো মসজিদের সামনে,স্কুল-মাদ্রাসা অথবা মার্কেট মোড়ে বসালে যথাযত ব্যবহার হতো বলে গার্মেন্টস শ্রমিকরা জানান। শ্রমিক বান্দব ইপিজেড এলাকাতে ঘনবসতি স্থানে এই হাত ধোঁয়া কার্যক্রমটি স্থাপন হলে এর রক্ষানা বেক্ষনও ভালো হত ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে। কিন্তু এখন এটি কেউ দেখ ভাল করছেন না। যার ফলে অত্যন্ত জনপ্রিয়-জনসচেতনমূলক কাজটি “জলেই গেল”মনে হচ্ছে।

প্রতিদিন দেশে ৫০–৬০জন হারে করোনী রোগি মৃত আর শত-হাজার লোক আক্রান্ত হলেও এই কার্যক্রমটি কেন বাটা পড়লো তা কর্তৃপক্ষ অবশ্যই ভেবে দেখবেন দয়া করে।আসুন,আমরা সবাই মহৎ কার্যক্রম কে বহুগুনে রুপ দিয়ে দেশ-জনগণের পাশে সেবকের ভূমিকায় উর্ত্তিণ হয়। নত বা আমরা হব বিশ্বে সবচেয়ে অচেতন মানুষ…!…!

(মতামতের জন্য লেখক কোন অংশে দায়ী নহে…….. এটি জনস্বার্থে প্রচারণা কর্মসূচির জন্য)

Print Friendly, PDF & Email