বিশেষ খবরবিশ্ব

নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় পৌঁছেছেন

 

জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন আজ তার স্ত্রী ডিন ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছেছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি এ সফরে এলেন।

ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘বাংলাদেশে ১৯তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য গৌরবের।

এই অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা রাখি।

আমার স্ত্রী ও আমি এমন একটি দেশে ফিরে এসে আনন্দিত, যেখানে আমাদের বহু প্রিয় স্মৃতি জড়িয়ে আছে।’

তিনি সর্বশেষ ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন।

এ সময় তিনি বৈশ্বিক নিরাপত্তা সহযোগিতা, নিরাপত্তা সহায়তা, সন্ত্রাসবাদ দমন, মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং অস্ত্র বিস্তাররোধ কার্যক্রম তদারকি করেন।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র ফরেন সার্ভিসের একজন ক্যারিয়ার কর্মকর্তা। এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের কমান্ডারের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে এবং ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার বিদেশি নিয়োগগুলোর মধ্যে ফিলিপাইন, এল সালভাদর ও ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্রের মিশনগুলোতে দায়িত্ব পালনও রয়েছে।

ওয়াশিংটনে তিনি রাজনৈতিক-সামরিক বিষয়ক ব্যুরোর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র হস্তান্তর দপ্তরের উপপরিচালক, উত্তর কোরিয়া নীতি বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধির বিশেষ সহকারী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্র সম্পর্কবিষয়ক কমিটিতে ফেলো এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোতে বাংলাদেশের দেশ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন।

ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল লেবার রিলেশনস অথরিটির অধীন ফরেন সার্ভিস ইমপাসেস ডিসপিউটস প্যানেলে ক্যারিয়ার ফরেন সার্ভিস সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ন্যাশনাল ওয়ার কলেজের ‘ডিস্টিংগুইশড গ্র্যাজুয়েট’ ক্রিস্টেনসেন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল বিষয়ে মাস্টার অব সায়েন্স, টেক্সাস এ অ্যান্ড এম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বিষয়ে মাস্টার অব সায়েন্স এবং রাইস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ব্যাচেলর অব আর্টস ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

তিনি স্প্যানিশ, জার্মান ও ভিয়েতনামি ভাষায় কথা বলতে পারেন এবং ফরাসি, জাপানি ও পর্তুগিজ ভাষা অধ্যয়ন করেছেন। ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসে যোগ দেওয়ার আগে তিনি হিউস্টন ও নিউইয়র্কে ব্যবস্থাপনা পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button