খেলা

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে হালান্ডের গোল নিয়ে ‘ভুল’ স্বীকার রেফারি সংস্থার

 

সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : পেশাদার ম্যাচ রেফারিদের সংগঠন প্রফেশনাল গেম রেফারিজ (প্রো রেফ) রোববার স্বীকার করেছে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির ১-০ গোলের জয়ে আর্লিং হালান্ডের জয়সূচক গোলটির বৈধতা দেওয়ার সিদ্ধান্তটি ছিল ‘বিচার-বিবেচনার ভুল’।

ফিল ফোডেন ব্রুনো ফার্নান্দেসকে লাথি মারার কারণে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পর সিটি ১০ জনের দলে পরিণত হয়। এর পর ম্যাচের ৬০ মিনিটে ইয়োশকো গাভারদিওলের ক্রসে পোস্টের কাছ থেকে শটে গোল করেন হালান্ড।

প্রথমে হালান্ড অফসাইডে ছিলেন বলে গোলটি বাতিল করা হয়েছিল। কিন্তু ভিএআর পরে সেই সিদ্ধান্ত বদলে দেয়, যদিও সিটির মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেস অফসাইড অবস্থানে ছিলেন এবং নরওয়ের এই ফরোয়ার্ডের আগে বলটি ধরার চেষ্টা করেছিলেন।

ফার্নান্দেস বল স্পর্শ না করায় গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর মাধ্যমে ম্যানচেস্টার ডার্বিতে হালান্ডের গোলসংখ্যা দাঁড়ায় নয়টি। গোলটির পর প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচ সেন্টার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, ভিএআর ‘নির্ধারণ করেছে যে হালান্ড অনসাইড অবস্থানে ছিলেন’ এবং ‘অফসাইড অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও ফার্নান্দেস বলটি খেলেননি’ বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে রোববার পরে প্রো রেফ জানায়, ভিএআর ‘আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের অবস্থানের সম্ভাব্য প্রভাবটি শনাক্ত করতে পারেনি’ এবং ‘মাঠের রেফারিকে ঘটনাটি পুনরায় পর্যালোচনার সুপারিশ করা উচিত ছিল।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আজ সন্ধ্যায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমরা যেটিকে বিচার-বিবেচনার ভুল বলে মনে করছি, তা স্বীকার করা হয়েছে। ঘটনাটি পর্যালোচনা করা হবে।”

ম্যাচ শেষে ইউনাইটেডের কোচ মাইকেল ক্যারিক বলেন, হালান্ডের গোলটি বৈধ হওয়া উচিত, এমন সিদ্ধান্তে একদল ম্যাচ কর্মকর্তার পৌঁছানো ‘উদ্বেগজনক’।

এই বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। আর্জেন্টাইন এই খেলোয়াড় বলেন, তার জাতীয় দলের সতীর্থ ফার্নান্দেসের উপস্থিতিতে তিনি স্পষ্টভাবেই প্রভাবিত হয়েছেন। তিনি সিটির গোলটিকে ‘অন্যায়’ বলেও আখ্যা দেন।

স্কাই স্পোর্টসকে মার্তিনেজ বলেন, “আমি তার (ফার্নান্দেসের) কাছে গিয়েছিলাম, কারণ সে আমার সামনে ছিল। এ কারণেই পেছনে হালান্ড ফাঁকা ছিল। প্রিমিয়ার লিগে এ ধরনের ভুল করতে পাঁচ-ছয়জন কর্মকর্তা থাকা গ্রহণযোগ্য নয়।” “আমাদের এই অন্যায়ের অনুভূতি নিয়ে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button